সাতক্ষীরা সদরে শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে ছাত্র আহত!!

 সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

জিয়াউর রহমান : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বাজারের ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মাহিম(১০)কে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে স্কুল শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন। এ বিষয়ে স্কুল ছাত্রের পিতা ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের মইনুর সরদার বাদী হয়ে ২ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে ধূলিহর বাজারের ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন এর নামে  সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ।










 অভিযোগ সূত্রে জানা যায় - বাদীর পুত্র মাহিম হোসেন ধুলিহর বাজারের ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র ,গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে প্রতিদিনের ন্যায় স্কুলে যায়, শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুনের ক্লাসে পড়া না হওয়ার কারণে লাঠি  দিয়ে পিটিয়ে  মাহিমের ২ হাত রক্তাক্ত জখন করেছে । তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ,তাৎক্ষণিক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য  ধূলিহর বাজারের ডাক্তার মফিজুল ইসলামের কাছে নিয়ে গেলে স্কুলছাত্রকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার  পরামর্শ দেন , কিছুদিন ঔষধ খাওয়ার পর কোন অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় স্কুল ছাত্রের পরিবার সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের ডাঃ আবুবক্কার মোঃ মামুন শরীফকে দেখান , ডাক্তার স্কুল ছাত্রকে দেখে হাত দুটো এক্সরে  করে দেখেন বেত্রাঘাতের কারনে হাতের তালুর ভিতরে সব পুচ হয়ে গেছে , কর্মরত ডাক্তার অপারেশন করে হাত দুটো ব্যান্ডেজ করে দেন । এ বিষয়ে স্কুল ছাত্র মাহিম এর কাছে জানতে চাইলে কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন - কাকু আমার স্কুলে রাবেয়া ম্যাডামের সাবজেক্টের পড়া আমার হয়নি সে কারণে ম্যাডাম আমাকে দুই হাতে বেত দিয়ে মেরে রক্তাক্ত যখন করেছে , আমি এখন এই হাত দিয়ে খাওয়া-দাওয়া সহ কোন কিছু করতে পারছিনা , আমি আর স্কুলে যাব না ,,, যদি যাই আবারও ম্যাডাম আমাকে মারবে । অন্যদিকে বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের যেকোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেওয়া আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ । সরকার ২০১১ সালে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ,আইনে বলা হয়েছে যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষক/শিক্ষকা শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা বা শারীরিক ভাবে আঘাত করতে পারবেনা, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , স্কুলছাত্র মাহিমের পিতা মইনুর সরদার  আমার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন , আমি তাৎক্ষণিক অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত-পূর্বক জরুরি ভিত্তিতে মতামত সম্মিলিত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য  ৩ সদস্য বিশিষ্ট , উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার  সাতক্ষীরা সদর , উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাতক্ষীরা সদর , উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাতক্ষীরা সদর ,

তদন্ত কমিটি গঠন করেছি  , অতি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব ।

সাতক্ষীরা লেন্স মিডিয়া

সত্যের পথে নিরপেক্ষ বার্তা

Comments

Popular posts from this blog

সহ-সম্পাদক পদে মনোনীত হলেন মোঃ মুজিবর রহমান মিলন, তরুন সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি পদে মনোনীত হলেন মোঃ আতাউর রহমান

অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান সোহাগের সৌজন্যে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত